শীতকাল বেড়ানোর মৌসুম। তাই অনেকেই এই শীতে ঘুরতে যাবেন বিভিন্ন যায়গায়। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঘুরতে যাওয়ার সময় প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন কারণ এসব এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রবণতা বেশী।
নিরাপদে থাকতে যেসব বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন-
৫. ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় বেড়াতে যাওয়ার পর অথবা সেখান থেকে ফিরে আসার পর জ্বর হলে অতিসত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনি কোথায় গিয়েছিলেন তা চিকিৎসককে জানান। দ্রুততম সময়ে রোগ নির্ণয় ও দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে পারলেই ম্যালেরিয়ার মারাত্মক জটিলতাগুলো এড়ানো সম্ভব।
৬. গর্ভাবস্থায় কোনো নারীর ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় বেড়াতে যাওয়া উচিত নয়। কারণ, গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়া হলে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
৭. যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যেমন: কিডনি প্রতিস্থাপনকারী বা এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিরা ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় যেতে চাইলে তাঁদের এসব সতর্কতার পাশাপাশি ওষুধ সেবন করতে হবে। যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকে শুরু করে ফিরে আসার চার সপ্তাহ পর পর্যন্ত ওষুধ সেবন করার নিয়ম। ম্যালারোন নামক ওষুধ এই সময়ে প্রতিদিন অথবা মেফলোকুইন সপ্তাহে একবার করে সেবন করা যায়।
(সংগৃহীত)
নিরাপদে থাকতে যেসব বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন-
১. ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় বেড়াতে গেলে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ কীটনাশকযুক্ত মশারি বাজারে পাওয়া যায় এখন, সেগুলো ভালো।
২. মশা তাড়ানোর বিশেষ ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে হাতে-পায়ে এই ক্রিম মেখে ফুলহাতা জামা ও পাজামা বা প্যান্ট পরে মশারির বাইরে বেরোতে হবে।
৩. হোটেল বা রিসোর্টের ঘরে, বাথরুমে ও বারান্দায় মশার ওষুধ স্প্রে করে নিন।
৪. ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে কোনো ওষুধ সেবন করে তেমন কাজ হয় না। আগে পার্বত্য এলাকায় যাওয়ার আগে কিছু ম্যালেরিয়া প্রতিষেধক ওষুধ খেতে বলা হতো। এখন সেগুলোর কার্যকারিতা নেই। তাই কোনো ওষুধ সেবন করে ম্যালেরিয়া থেকে নিরাপদ আছেন ভেবে নিশ্চিন্ত থাকার সুযোগ নেই। বরং মশার আক্রমণ থেকে বাঁচার চেষ্টা করুন।
৫. ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় বেড়াতে যাওয়ার পর অথবা সেখান থেকে ফিরে আসার পর জ্বর হলে অতিসত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনি কোথায় গিয়েছিলেন তা চিকিৎসককে জানান। দ্রুততম সময়ে রোগ নির্ণয় ও দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে পারলেই ম্যালেরিয়ার মারাত্মক জটিলতাগুলো এড়ানো সম্ভব।
৬. গর্ভাবস্থায় কোনো নারীর ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় বেড়াতে যাওয়া উচিত নয়। কারণ, গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়া হলে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
৭. যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যেমন: কিডনি প্রতিস্থাপনকারী বা এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিরা ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় যেতে চাইলে তাঁদের এসব সতর্কতার পাশাপাশি ওষুধ সেবন করতে হবে। যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকে শুরু করে ফিরে আসার চার সপ্তাহ পর পর্যন্ত ওষুধ সেবন করার নিয়ম। ম্যালারোন নামক ওষুধ এই সময়ে প্রতিদিন অথবা মেফলোকুইন সপ্তাহে একবার করে সেবন করা যায়।
(সংগৃহীত)

